"স্বরূপনগর- একটি বঞ্চিত বিধানসভা এলাকা" দাবী স্থানীয় বাসিন্দাদেরই

স্বরূপনগরের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
বলতে শোনা গেল ভ্যাকসিন দিতে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বয়স্ক পেনশনারের মুখে।
'সবাই নিজের নিজের ধান্দায়, এমনকি রাজনৈতিক নেতারাও।"
"বালতি হাকিমপুর রোড পুকুরে পরিণত হয়েছে। স্বরূপনগর হাকিমপুর রোড ছয়মাসের মধ্যেই পিচের অভাবে আলগা হয়ে পড়েছে, এখন তিনছরের মাথায় অলরেডি তিনবার জোড়াতালি দেওয়া চলছে। এলাকায় কোনো শিল্প নেই,  জমিদার জোতদার ছাড়া সবাই দিনমজুর। 
পরিবহন ব্যবস্থায় একমাত্র সীমান্ত ছাড়া বাকী একটাও ভরসাযোগ্য নেই। রেলের ভরসা আর নাইবা করলাম। প্রায় সারা দেশে হাতে লেখা বার্থ সার্টিফিকেট বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু শাড়াপুল পঞ্চায়েত হাতে লেখা জন্ম প্রমাণপত্র দিচ্ছে এখনও, শাঁড়াপুল হাসপাতালের অধীন জন্ম নেওয়া প্রতিটি বাচ্চাকেই দেওয়া হচ্ছে হাতে লেখা সার্টিফিকেট। কিন্তু একবছর আগে কম্পিউটার এসেছে, অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য সরকার শাঁড়াপুল পঞ্চায়েতকে। আর বিদ্যুতের কথা নাইবা বললাম স্বরূপনগর সাবস্টেশন পৃথিবীর জঘন্যতম সাবস্টেশন। কোনো কারণ ছাড়াই বিদ্যুৎ চলে যায়। প্রশাসন নীরব।" একের পর এক অভিযোগ করে চলেছিলেন ভদ্রলোক।
 "গরীব মানুষের বিপিএল রেশন কার্ড পায়না, চারতলা বাড়ি আছে মাঠে সম্পত্তি, বাড়ি ফ্রিজ টিভি তাদের রেশন কার্ড বিপি এল। কোনো এনকোয়ারি নেই।" এমনই অসংখ্য অভিযোগ সাধারণ মানুষেরই মুখে উঠে আসছে মাঠে ঘাটে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ