"আমাদের দূর্ভাগ্য আমরা স্বরূপনগর বিদ্যুৎ বন্টন এলাকায় বাস করি, কাল বিকাল ৪ঃ৩০ থেকে বিদ্যুৎ নেই, এখনও অবধি এলনা।


 ওয়েভ ব্যুরোঃ
"West Bengal State Electricity Distribution Company Limited"
"আমাদের দূর্ভাগ্য আমরা স্বরূপনগর বিদ্যুৎ বন্টন এলাকায় বাস করি, কাল বিকাল ৪ঃ৩০ থেকে বিদ্যুৎ নেই, এখনও অবধি এলনা। শুধু আজ কিংবা কাল বলে কথা নয় রোজ এভাবেই বিদ্যুৎ চলে যায় অনির্দিষ্ট সময়কালের জন্য, অত্যধিক গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা, সুস্থ মানুষ হয়ে পড়ে অসুস্থ। অসুস্থ ও বয়স্ক ও দুধের শিশুরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে,  যাদের ইনভার্টার আছে, তাতেও চার্জ শেষ হয়ে যায় বিদ্যুৎ আসেনা। ব্যবসায়ীদের লোকসান হয়। ধানকল, স-মিল গুলো বন্ধ হয়ে থাকে বিদ্যুৎ না থাকায়। এলাকায় কোয়াক ডাক্তারদের বক্তব্য "অনেকসময় হাঁপানি রোগির নেবুলাইজার চালানোর জন্য সমস্যায় পড়তে হয়, বহুবার অভিযোগ সত্ত্বেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি" এলাকার বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, "স্বরূপনগর ব্লকের বিদ্যুৎবন্টের অফিসিয়াল ফোন নম্বরটি বেশিরভাগ সময় ইচ্ছে করে রিসিভার তুলে রাখা হয় বা বন্ধ করে রাখা হয়, ডি স্টাফ বা কর্মচারী বা সুপারভাইজারদের মোবাইলে ফোন করলে, অভব্য আচরণ করা হয় ও বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।" হাকিমপুর, তারালি, আমুদিয়া, দহারকান্দা, স্বরূপদহা, পদ্মবিলা, আড়শিকাড়ি, নিত্যানন্দকাটির কিছু অংশসহ একটা বিস্তীর্ণ এলাকা রোজ দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুবিহীন থাকে, রোজ অসংখ্য ডকেট ক্রিয়েট হয়, সেগুলি সমাধান না করেই ক্লোজ করে দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ বন্টনের ওয়েবসাইটে অনেকবার লিখিত অভিযোগ জমা হয়েছে কাজ হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু লেবার জানালেন, "মোট ৬২ জন শ্রমিক ইলেক্টিক লাইন দেখভাল করার জন্য রাখা হয়েছে, কিন্তু অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিয়ারের(এস এস) গাফিলতিতে তাদের ভিতর শৃঙখলা নেই, ঠিকমতো পেমেন্ট মেলেনা, কোথাও লাইনে গাছ পড়েছে খবর পেলেও তিনি বলেন আর দু একটা অভিযোগ আসুক, ততক্ষণ লাইন বন্ধ রাখা হোক।" এমনটাই অভিযোগ।
স্বরূপনগর ব্লকের যোগাযোগ ব্যবস্থা একমুখী, ঊত্তর ও পূর্বে বাংলাদেশ সীমান্ত অনেকটা বাঁক নিয়ে দক্ষিণেও আমুদিয়া কৈজুড়ি অবধি বিস্তৃত দুটি বাসরুটের মধ্যে বালতী বারাসাত সীমান্ত এক্সপ্রেসটাই কেবল ঠিকঠাক চলে, তাও এই লকডাউনে বন্ধ, স্থানীয় মানুষজনের ভরসার টোটো সার্ভিস ও বিদ্যুৎ না থাকায় বন্ধ করে রেখেছে টোটোচালকরা, এমনকি মোবাইল কম্পিউটার গুলি বন্ধ থাকায় টেলিযোগাযোগ ও ব্যাঙ্কিং কাস্টমার সার্ভিস একেবারে ভেঙে পড়েছে। লকডাউনে বেশিরভাগ সময়টা বাজার বন্ধ থাকায় জেনারেটর চালানোও সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানাচ্ছেন জেনারেটর অপারেটররা। কেবল টিভি ও অপটিক ফাইবার ইন্টারনেট বন্ধ। এমতাবস্থায় স্থানীয় বিধায়ক বীনা মন্ডলের কাছে দরবার করার কথা ভাবছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ